Lesson 4, Topic 1
In Progress

ভূমিকা (Introduction to Events and Transactions)

Lesson Progress
0% Complete

Since primitive times, (human) beings were engaged in some kind of activity to carry out and maintain their livelihood. Without the help of such (human) activities, a society cannot be developed and enriched. To fulfil their needs, satisfaction and desires humans engaged themselves in doing some kind of activities according to their different skills. 

Human life is built around various kinds of activities to be performed. Every human being engages themselves in some or the other activity throughout the day. For e.g., brushing, studying, reading newspapers, house chores done by housewives, working at offices, etc. Such activities are termed as Human activities.

Some of these human activities are undertaken for direct economic benefits like, monetary gains; and some other such activities do not have any economic benefits i.e. done for personal satisfaction like, charity, helping the needy, etc.

Classification of human activities:

Human activities may be categorised into two namely, 

  1. Economic activity 
  2. Non-economic activity 

Non-economic activities are mainly performed to mainly honour and fulfil our social, cultural, patriotic, emotional and religious obligations. Non-economic activities are inspired by sentiments and emotions such as love for the family, desire to help the poor and needy and show love and respect for the country where a person is living. Such Non-economic activities are not concerned with any of the monetary gains but getting personal-level satisfaction and happiness is the true test of such activities. 

Whereas, Economic activities are under taken with the object of earning money and acquisition of wealth to secure an individual from future uncertainties.

Our entire concept of accounting is concerned with the economic activities having some characteristics. Mainly it consists of economic motives like, earning money and acquiring wealth and finally bring down an economic gain and economic growth. 

Every economic activity must be productive i.e., it involves production, distribution an exchange of goods and services for satisfying human needs and wants which ultimately creates wealth for the society. Every economic activity comprises of the four important elements – landlabourcapital and entrepreneur. These elements are termed as – “Factors of Production”. Efficient planning of these factors of production along with proper allocation of scare resources helps to obtain maximum output.

It should even be noted that economic activities should be legally valid i.e., it should be lawful and should be ensured that such activities must not disturb the society as a whole and must not be opposed to the public interest and must be maintained in accordance with the expectations and norms of the society.     

In other words, every businessman or business-house works hard to earn profits from their economic activities, which they have offered to the society. If the economic activities offer clear results about the economic rewards to a businessman, it stimulates them to invest more amount to reap that profit by bearing the risk of uncertainties.

Every trader / businessman can be sure of the results of their business activities as they know the work undertaken by them for their concern. As the economic activities in a business are huge in number, complicated and also at times requires documentary evidences to be maintained, it is quite difficult for the trader/ businessman to remember all such activities. It thus requires a systematic and scientific record-keeping of such business activities. In other words, it requires proper accounting procedure of such business activities.


সৃষ্টির ঊষালগ্নে সভ্যতার জন্ম। সভ্যতার ইতিহাস ও বিবর্তন পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে এক মাত্র মনুষ্য সম্পদই অগ্রগতির ধারাবাহিকতাকে বজায় রেখেছে এবং এগিয়ে নিয়ে গেছে। এই ধারাবাহিকতা কে বজায় রাখার জন্য তাকে বারংবার প্রবৃত্ত হতে হয়েছে বিভিন্ন ধরণের কার্যাবলীতে। মনুষ্য কার্যাবলীর দ্বারাই সৃষ্টি হয়েছে সমাজের। ক্রমে ক্রমে সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে মনুষ্য সমাজ তথা মানুষের চাহিদার সৃষ্টি হয়েছে। সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায় মানুষ তার প্রয়োজনীয় চাহিদা স্বয়ং সম্পূর্ণ ভাবে পূরণ করতে সমর্থ হলেও পরবর্তী পর্যায় চাহিদার বিচিত্র এবং মাত্রাধিক্য ঘটার কারণে তার একার পক্ষে তার প্রয়োজনীয় সকল চাহিদা  পূরণ করা আর সম্ভবপর হল না, উদ্ভব হল এমন এক সমাজ যেখানে সমাজবদ্ধ সকলে তার নিজ নিজ দক্ষতা অনুযায়ী বিভিন্ন কর্মকে বেছে নিয়ে সামগ্রিক ভাবে সামাজিক চাহিদা পূরণে উদ্যত হলেন।  

সুতরাং বলা যায় মনুষ্য কার্যাবলী মনুষ্য সমাজের ধারক ও বাহক। এই মনুষ্য কার্যাবলী গুলিকে বিশেষণ করলে আমরা মূলত দুই ধরণের কার্যাবলী খুঁজে পাই। একটি হল অ-অর্থনৈতিক মনুষ্য কার্যাবলী (Non-Economic Human Activities) এবং অপরটি হল অর্থনৈতিক মনুষ্য কার্যাবলী (Economic Human Activities

অ-অর্থনৈতিক কার্যাবলী গুলি মূলত সামাজিক (Social), সাংস্কৃতিক (Cultural), দেশাত্মক (Patriotic), ধার্মিক (Religious) ইত্যাদি বিষয় গুলিকে ধারণ করে এবং বহন করে নিয়ে চলে। এই কার্যাবলীর সঙ্গে অর্থনৈতিক কার্যাবলীর সরাসরি কোনো যোগাযোগ নেই। অপরদিকে অর্থনৈতিক কার্যাবলী গুলি মূলত আয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক যুক্ত। যে আয় বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা পূরণ এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্ক বৃদ্ধিতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে। 

আমরা আমাদের দৈনন্দিন নিত্যনৈমিত্তিক জীবনেও একই সঙ্গে পাশাপাশি অর্থনৈতিক এবং অ-অর্থনৈতিক কার্যাবলীর সমাহার লক্ষ করে থাকি। যেমন একটি পরিবারে সকাল বেলা শিশুরা বিদ্যা আহরণের জন্য বিদ্যালয় যায়, যে অর্জিত বিদ্যা তাকে ভবিষ্যৎ বিভিন্ন অর্থনৈতিক কাজে প্রবৃত্ত হতে সাহায্য করে। বাড়িতে যে বা যারা মূল আয়ের কেন্দ্র তারা তাদের কর্মস্থলে যাত্রা করেন আয় লাভের আশায়, যা একটি অর্থনৈতিক কার্যাবলী হিসেবে চিহ্নিত। দিনান্তে বাড়ির সকল সদস্য নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে নিজ নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন করেন। শিশুরা পুণরায় পাঠ্যে মনোনিবেশ করে অতঃপর কিছু বিনোদন সম্পন্ন করে নৈশভোজ সম্পন্ন করে একটি দিনের পরিসমাপ্তি ঘটে। অ-অর্থনৈতিক কার্যাবলী গুলির মধ্যে পিতা ও মাতার সন্তানের প্রতি স্নেহ ও ভালবাসা, সন্তানের পিতা মাতা ও অন্যান্য গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা, প্রতিটি নাগরিকের নিজ দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, কোনো দুস্থ মানুষকে সাহায্য করা ইত্যদি বিষয় গুলি অন্তর্ভুক্ত। 

ওপরের উদাহরণটি পর্যালোচনা করলে বোঝা যায় যে মনুষ্য জীবন বেশ কিছু অর্থনৈতিক ও অ-অর্থনৈতিক কার্যাবলীর ফলে সৃষ্ট ধারবাহিক এক কার্যক্রম। অ-অর্থনৈতিক কার্যাবলী গুলির সঙ্গে অর্থের কোনো সম্পর্ক নেই কিন্তু স্বছন্দ জীবনযাপনের জন্য এবং মানসিক প্রশান্তি ও সুখ-শান্তি অর্জন প্রভৃতি অ-অর্থনৈতিক কার্যাবলীর ধারাবাহিকতা কে বজায় রাখার জন্য অর্থনৈতিক কার্যাবলী গুলি অত্যাবশ্যক। 

পরিশেষে বলা যায় মনুষ্য সমাজ কিছু ধারাবাহিক বা বিচ্ছিন্ন অর্থনৈতিক এবং অ-অর্থনৈতিক ঘটনার সমাহার।

আমাদের হিসাব সংক্রান্ত সমগ্র আলোচনা অর্থনৈতিক ঘটনা বা কার্যাবলীর সংমিশ্রণে গঠিত। একটি অর্থনৈতিক কার্যাবলী সংক্রান্ত ঘটনা মূলত পরিচালিত হয় অর্থ উপার্জন, সম্পদ আহোরণ এবং পরিশেষে অর্থনৈতিক উন্নতি এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের মাধ্যমে। যেকোনো অথনৈতিক কার্যাবলীর সঙ্গে উৎপাদন (Production), দ্রব্য বা সেবার বিনিময় ও বণ্টন (Exchange and Distribution of Goods and Services) এবং যার মারফৎ মনুষ্য চাহিদা পূরণ ও পরিশেষে সম্পদ আহরনের মাধ্যমে সামাজিক উন্নতি প্রতিফলিত হয়।  

অথনৈতিক কার্যাবলীর মূল উপাদান হল জমি (Land), শ্রম (Labour), মূলধন (Capital) এবং উদ্যোগ (Entrepreneurship)। এই উপাদান গুলিকে একত্রে উৎপাদনের উপাদান হিসেবে পরিচিত যার মারফৎ প্রকৃতি দত্ত সম্পদের আহরণ, প্রকৃত ব্যবহার এবং তার বণ্টন সম্ভব হয়। 

প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য কারবার, কারবারির কারবার সংক্রান্ত ঝুঁকি গ্রহণের পুরষ্কার স্বরূপ মুনাফা প্রদান করে, একাধিক কর্ম সংস্থানের সুযোগ করে, দ্রব্য বা সেবার উৎপাদন বা বিনিময় মারফৎ মনুষ্য চাহিদা পূরণ করে, সামাজিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যহত রাখে এবং জাতীয় সম্পদ বৃদ্ধিতে বিশেষ অবদান সৃষ্টি করে। কাজেই বলা যায় কারবার সংক্রান্ত সকল কার্যাবলী বা ঘটনা চূড়ান্ত ভাবে অর্থনৈতিক কার্যাবলী। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে মুনাফা হল একজন কারবারির কারবার সক্রান্ত ঝুঁকি বহনের পুরষ্কার যা  তাকে অন্যান্য ঝুঁকি মূলক বিনিয়গে উৎসাহিত করে তলে এবং তিনি নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেন যার সু-ফল সামগ্রিক ভাবে একটি সমাজ গ্রহণ করে এবং বহু ক্ষেত্রে এই সুফলের প্রভাব কারবারির নিজের দেশের সীমানা পেরিয়ে বহিঃদেশেও প্রতিফলিত হয়। 

একজন কারবারি একটি অর্থনৈতিক কার্যাবলীর একজন মূল কাণ্ডারি হিসেবে চিহ্নিত। তার দায়বদ্ধতাও প্রচুর। তিনি এমন কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করে তাতে অর্থ নিবেশ করবেন না যাতে সমাজ বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং একমাত্র মুনাফা অর্জনই একজন সৎ কারবারির উদ্দেশ্য হওয়া মোটেই উচিত নয়। বরং ন্যায্য মূল্যের বিনিময় উৎপাদিত পণ্য বা সেবার সরবরাহ করে জনজীবনের উন্নতি সাধনের মাধ্যমে  সামাজিক উন্নতিবিধান তার অন্যতম উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।  

প্রতিটি কারবারি প্রতিষ্ঠান এবং তার প্রতিষ্ঠাতা দিনান্তে কারবার মারফৎ তার উপার্জন কি হল সেই তথ্যটি জানার জন্য বিশেষ ভাবে উৎসাহী থাকেন এবং একটি ধারাবাহিক প্রতিষ্ঠানে প্রতিনিয়ত অজস্র অর্থনৈতিক ঘটনা যেমন দ্রব্য ক্রয় বিক্রয়, কর্মীদের বেতন প্রদান, কারবারের বৈদ্যুতিক খরচ, কারবার পরিচালন সংক্রান্ত খরচ প্রভৃতি নানাবিধ খরচের সম্মুখিন হতে হয় এবং কারবারের কলেবর বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এই অর্থনিতক ঘটনা গুলির সংখ্যাধিক্যও ঘটতে থাকে। তখন আর কারবারির পক্ষে বিপুল সংখ্যক এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ঘটনা সমাহার নিজ মস্তিস্কে ধারন করা সম্ভবপর হয় না। তিনি তখন সম্পাদিত অর্থনৈতিক ঘটনা গুলির পর্যায়ক্রমে লিপিবদ্ধ করেনে উদ্যত হন এবং যা অতীতে সম্পাদিত অর্থনৈতিক ঘটনা গুলির ভবিষ্যৎ প্রামাণ্য দলিল হিসাবে কার্যকরী ভূমিকা  পালন করে। 

আমাদের পরবর্তী আলোচনা সমগ্রই দারিয়ে রয়েছে একটি কারবারে পর্যায়ক্রমে ঘটে যাওয়া অর্থনৈতিক ঘটনা গুলির বিজ্ঞান সম্মত লিপিবদ্ধ করণ প্রণালী এবং তার বিশ্লেষণ পরিশেষে এই সকল অর্থনৈতিক ঘটনা গুলি সংঘটনের ফলে একজন কারবারি তার কারবার সংক্রান্ত ঝুঁকি গ্রহণ কালে ঠিক কত পরিমাণ মুনাফা অর্জন করতে সমর্থ হলেন যা তিনি ঝুঁকি বহন করার পুরষ্কার বাবদ পেলেন এবং কাম্য মুনাফা তাকে আরও ঝুঁকি বহন করে কারবার স্থাপনের জন্য অনুপ্রেরণা যোগাবে। 

উপরোক্ত বিষয়টি কে নিম্নলিখিত ছকের মাধ্যমে বোঝানো যেতে পারে 

To distinguish human activity from the economic activity let us become familiar with the term “Event” and the term “Transaction” and try to differentiate the term transaction from the term event.

error: Content is protected !!